1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
নিখোঁজ এসএসসি পরীক্ষার্থী ঝিলিকের সন্ধানের দাবিতে মানববন্ধন ও রাস্তা অবরোধ - Barta24TV.com
সকাল ৯:৫৬, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নিখোঁজ এসএসসি পরীক্ষার্থী ঝিলিকের সন্ধানের দাবিতে মানববন্ধন ও রাস্তা অবরোধ

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, জুলাই ২৯, ২০২২
  • 129 Time View

আনোয়ার হোসাইন (সুনামগঞ্জ) সুনামগঞ্জ জেলার বিশম্বপুর উপজেলার পলাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী লায়লা সোবহান ঝিলিক

সাত দিন ধরে নিখোঁজ ঝিলিক ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী মেধাবী ছাত্রী লায়লা সোবহান ঝিলিকের দ্রুত উদ্ধারের দাবিতে ছাত্রছাত্রী ও এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও রাস্তা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে। এদিকে নারী ও শিশু পাচারকারী চক্রের সদস্যের খপ্পরে পরে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী লায়লা সোবহান ঝিলিক নিখোঁজের আজ ৭ দিন পেরিয়ে গেলেও বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশ উদ্ধার করতে না পারায় অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর আয়োজনে মানববন্ধনের পাশাপাশি তাহিরপুর সুনামগঞ্জ সড়কের পলাশ বাজার এলাকায় প্রায় ১ ঘন্টা রাস্তা বন্ধ করে রাখেন অবরোধ কারিরা

“ঝিলিক কোথায় জানতে চাই সহপাঠীরা”, “এসএসসি পরীক্ষার্থী ঝিলিকের দ্রুত সন্ধান দিন” এই দাবিতে হাজারো শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর অংশ গ্রহণে আজ(২৭ জুলাই বৃহস্পতিবার) দুপুরে পলাশ উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন তাহিরপুর-বিশ্বম্ভরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, পলাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি জুলহাস মিয়া, নিখোঁজ ছাত্রী লায়লা সোবহান ঝিলিকের চাচা সাবেক সদস্য আব্দুল মালেক, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আলমগীর হোসেন, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা কৃষকলীগ সভাপতি হুমায়ুন কবির, সাবেক ইউপি সদস্য আমেনা খাতুন, বাবা আব্দুস সোবহান, সহপাঠী মিফাহুল জান্নাত মিলি, মুনতাহ জান্নাত কলি, তাহমিনা আক্তার রিপতা, প্রিতুল দাস, আবু সাইম প্রমুখ।
মানববন্ধনে এ সময় বক্তারা বলেন, ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিখোঁজ এসএসসি পরীক্ষার্থী লায়লা সোবহান ঝিলিককে তাদের কাছে ফিরিয়ে না দিলে শুধু মানববন্ধনেই নায়! প্রয়োজনে স্কুলের শিক্ষক ছাত্রছাত্রী সহ এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে রাস্তায় নেমে রাস্তাঘাট অবরোধ করা হবে। এ সময় তারা আরও বলেন, ঝিলিককে দ্রুত উদ্ধার করে এসএসসি পরিক্ষায় অংশ গ্রহণে সুযোগ করে দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানান। এ সময় ছাত্রছাত্রী ও এলাকাবাসী তাহিরপুর টু সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে রাখেন। পরে নিখোঁজ ছাত্রী ঝিলিককে দ্রুত উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার গ্রহনেরজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অনুরুধ জানিয়ে ছাত্রছাত্রী অবরুধ শেষ করেন
উল্লেখ: জানাযায়, গত (২১ জুলাই বৃহস্পতিবার ) সকাল ৭ টায় ঝিলিক নিজ বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়তে মাঝাইড় গ্রামের আনুফা মাষ্টারে বাড়িতে যাওয়ার পথে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের লক্ষ্মণশ্রী গ্রামের সাজ্জাদুর রহমান সাঞ্জু মিয়ার মেয়ে নারী ও শিশু পাচারকারী চক্রের সদস্য সুমা আক্তার শাহজাদী(২৫) এর খপ্পরে পরে নিখোঁজ হয় ঝিলিক। নারী ও শিশু পাচারকারী চক্রের সদস্য শাহজাদীর মামা বোন সৌদিআরব প্রবাসী রুপ নাহার নামের এক মহিলার যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশু ও কিশোরীদের বিভিন্ন প্রতারণার মাধ্যমে লোভে ফেলে নারী ও শিশু পাচার করে আসছে। পরে গত( ২২ জুলাই শুক্রবার ) দুপুরে ঝিলিকের চাচা আব্দুল মালেক বাদী হয়ে সুমা আক্তার শাহজাদী নাম উল্লেখ করে বিশ্বম্ভরপুর থানা একটি সাধারণ ডায়রী করেন। কিন্তু সাধারণ ডায়রী করার পর ৭ দিন পেরিয়ে গেলেও বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশ ওই স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার কর‍তে না পারায় ঝিলিকের পরিবার ভয়ে কাটছে দিন। এদিকে নিখোঁজ স্কুল ছাত্রী ঝিলিককে উদ্ধারে পুলিশের পাশাপাশি গত (২৫ জুলাই) সোমবার বিকালে র‍্যাব-৯, এ একটি লিখিত আবেদন করেন ঝিলিকের বড় ভাই কামাল হোসেন ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।