1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
নদী ভাঙ্গনে ৫০ টি পরিবার হুমকির মুখে - Barta24TV.com
সকাল ৭:৪৩, বৃহস্পতিবার, ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নদী ভাঙ্গনে ৫০ টি পরিবার হুমকির মুখে

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, জুন ১৪, ২০২২
  • 320 Time View

রাসেল রানা জামালপুর

সদর উপজেলা তুলশিরচর ইউনিয়ন এর ৯ নং ওয়ার্ড কাজিয়ারচর গ্রাম এর এক মাত্র যাতায়াত পথ হলো মাটির রাস্তা।

কাজিয়ারচর /ডিগ্রীর চর / হনুমানচর এর সব মানুষ জন কাজিয়ারচর হয়ে নদী পথে নরুন্দিতে যাতায়াত করে।
কিন্তু গত ২ বছর ধরে কাজিয়ারচর এর ডুকার মূলপথ রাস্তা টা নদীতে ভেঙ্গে গেছে।

যে কারনে ঐ এলাকার মানুষ গুলো এখন যাতায়াত করতে খুব কষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
আর নদীর পাশেই রয়ছে প্রায় ৪০/৫০ টি পরিবার যারা প্রায় কয়েকশ বছরে ধরে তারা ঐ জায়গায় বসবাস করছে।

প্রায় ২ বছর ধরে নদী ভাঙ্গেনে এর কারনে নদী ঘর এর কাছে এসে পড়ছে।

আজ সকাল ৮ টার সময় সরজমিনে এ গিয়ে দেখা যায় যে গত ২/ ৩ দিন ধরে নদীর পানি বাড়ার কারনে নদী ভাঙ্গন বেড়ে গিয়েছে। আজ সকালে প্রায় ঘর এর পিরার কাছে এসে পড়ছে।
যা যে কোন সময় ঘর নদীর পানিতে তলিয়ে যেতে পারে।
যে কারনে তাদের সারা রাত জেগে থাকতে হচ্ছে।

তাদের সাথে কথা বললে জানা যায়, যে আমরা অনেক চিন্তার মধ্যে আছি।
এই ঘর বাড়ী ভেঙ্গে গেলে আমরা কোথায় গিয়ে দাড়াবো।আমাদের ৪/৫ প্রজন্ম এই খানে বসবাস করে এসেছে।। এখন আমরা কোথায় গিয়ে থাকবো।আমাদের পরিবার / গরু/ ছাগল / মহিষ কোথায় গিয়ে দাড়াবো। আমরা এখন হুমকির মুখে পড়ে আছি কখন জানি ঘর টা নিচের দিকে ডুকে যায়।

আমাদের কয়েক টা ঘর হেলে গেছে।।খুব চিন্তায় আছি সামনের সকল আবাদি জমি গুলো নদীতে ভেঙ্গে গেছে এমনিতে পরিবার নিয়ে চিন্তায় আছি।
আবার ঘর বাড়ী গুলো ভেঙ্গে গেলে আমাদের পরিবার নিয়ে রাস্তায় নামতে হবে।

গত ২ বছর হলো আমাদের বাড়ীর দিকে নদী ভাঙ্গছে এবং রাস্তাঘাট ভেঙ্গে গেছে চেয়ারম্যান কে বিষয় টা জানানো হয়েছিলো কিন্তু তিনি ২ বছর এর মধ্যে এক দিন ও দেখতে বা তার কোন প্রতিনিধি পাঠাই নাই।

রাস্তা না থাকায় মানুষ জন চলাচল করতে পারে না।স্কুল কলেজে এর ছাত্র ছাত্রী চলাচল করতে পারছে না।।।
এতে করে শিক্ষার উপর প্রভাব পড়ছে।

তারা বললে যে এখন শুধু মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ছাড়া আর কোন আস্হা নাই। আমাদের এই রাস্তা ও বাড়ী ঘর গুলো রক্ষা করতে পারবে।।
সরকার এর কাছে আমাদের আকুল আবেদন যে আমাদের রাস্তাঘাট এবং বাড়ী ঘর গুলো যাতে নদীতে না ভাঙ্গে তার যে কোন একটা একটা ব্যবস্হা করে দিবেন।
আমাদের পরিবার সন্তান গুলো নিয়ে যাতে এই খানে বসবাস করতে পারি।।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।