1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
দোয়ারাবাজারে সুরমা ইউনিয়নের উপ নির্বাচনে নৌকার ‘বিরুদ্ধে’ ইউনিয়ন আ.লীগের নেতারা - Barta24TV.com
সকাল ৬:২৬, বৃহস্পতিবার, ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দোয়ারাবাজারে সুরমা ইউনিয়নের উপ নির্বাচনে নৌকার ‘বিরুদ্ধে’ ইউনিয়ন আ.লীগের নেতারা

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ডিসেম্বর ৫, ২০২২
  • 255 Time View

 

দোয়ারাবাজারে সুরমা ইউনিয়নের উপ নির্বাচনে
নৌকার ‘বিরুদ্ধে’ ইউনিয়ন আ.লীগের নেতারা

দোয়ারাবাজার(সুনামগঞ্জ):
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে দল মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর বিপক্ষে মাঠে নামার অভিযোগ উঠেছে সুরমা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সভাপতি শফিকুল ইসলাম আর্মি ও ইউপি সদস্য হাছন আলী দুঃখু’র বিরুদ্ধে।

এ ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী তাজুল ইসলাম। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আ”লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক সুরমা ইউনিয়নেন চেয়ারম্যান খন্দকার মামুনুর অর রশীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম আর্মি ও বিএনপি’র স্বতন্ত্র প্রার্থী হারুন অর রশীদের অবস্থান নিয়েছেন আ”লীগ নেতা ইউপি সদস্য হাছন আলী দুঃখু।

অভিযোগ খন্দকার মামুনুর অর রশীদ ও হারুন অর রশীদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় তারা উপস্থিত ছিলেন। এই ছবি গুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার হলে বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এনিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।

উল্লেখ্য গত (২১ সেপ্টেম্বর) এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিম বীরপ্রতীকের মৃত্যুতে চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হয়। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে ৬ প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। মনোনয়নপত্র বাছাই হয় ৩ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১০ ডিসেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ হবে ১১ ডিসেম্বর এবং আগামী ২৯ ডিসেম্বর এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

সুরমা ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী তাজুল ইসলাম বলেন,আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা প্রতীক দিয়েছেন। সেই প্রতীক নৌকা ডোবাতেই তৎপর হয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম আর্মি ও ইউপি সদস্য হাছন আলী দুঃখু।

অভিযোগের বিষয়ে সুরমা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম আর্মি বলেন,
আমি আওয়ামীলীগ করি,আমি দলের সিদ্ধান্তকে সম্মান করি। সুরমা ইউপির নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান প্রার্থী তাজুল ইসলামের জনপ্রিয়তা না থাকায়, আমি তার নির্বাচন থেকে সরে দাড়িয়েছি সত্য,তবে আমি বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন করছিনা। আমি আওয়ামিলীগ নেতারই নির্বাচন করছি।

ইউপি সদস্য হাছান আলী দুঃখু বলেন,
আমি বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন করছিনা। আমি স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন করতেছি। তাছাড়া বিএনপিতো নির্বাচন করছেন ওইনা। আমি মুহিবুর রহমান মানিক এমপির নির্দেশনায় নৌকা প্রতীকের পক্ষেই নির্বাচন করব। এমপি সাহেব আমাদেরকে এসএমএস করেছেন উনি আমাদেরকে নিয়ে বসবেন।
বিএনপির প্রার্থীর সাথে মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার ৮নং ওয়ার্ডের ৯৯% মানুষই হারুন অর রশীদের পক্ষে নির্বাচন করছেন। তারা সেদিন আমাকে ঝুরপুর্বক নির্বাচন অফিসে নিয়ে গিয়েছেন।

এ ব্যাপারে দোয়ারাবাজার উপজেলার আওয়ামী লীগের আহবায়ক ফরিদ আহমদ তারেক বলেন, ‘কেউ নৌকার বিরোধিতা করলে তিনি বহিষ্কার হবেনে, এটা নিশ্চিত।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।