1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
ঠাকুরগাঁওয়ে বজ্রপাতে ১ কৃষকের মৃত্যু! - Barta24TV.com
সকাল ৮:৪২, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে বজ্রপাতে ১ কৃষকের মৃত্যু!

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, মে ২০, ২০২২
  • 263 Time View

মোঃ সাইফুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ;
ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার আখানগর ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝাড়গাঁও(দেবিডাঙ্গা) গ্রামের রিয়াজুল ইসলাম(৪১) নামে এক কৃষকের বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার(২০মে) রিয়াজুল ইসলাম এবং তার বড় ছেলে বিপুল ইসলাম (১৮) মিলে বোরো ধান কাটতে মাঠে যায়। দুপুর ১ টার দিকে প্রচন্ড ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রপাত শুরু হলে ধানের বোঝা নিয়ে বাড়ির দিকে রওনা হয় কিন্তু কিছুদুর আসতে না আসতে বিকট শব্দে বজ্রপাত রিয়াজুল ইসলামের উপর পড়লে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। তার বড় ছেলে জানান, আমি এবং বাবা ধানের বোঝা নিয়ে আসতেছিলাম। হঠাৎ মেঘের বিকট শব্দে পিছনে তাকিয়ে দেখি বাবা আইলের পাশে পড়ে আছে। তৎক্ষনাৎ বাবাকে দেখি তিনি অচেতন। মৃতের চাচা,আব্দুস সাত্তার (প্রধান শিক্ষক) জানান, ঘটনার পর পর ছুটে গেছি। দেখি তিনি মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন। এদিকে উক্ত ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউ.পি সদস্য জনাব হুমায়ূন কবির বিপ্লব জানান, যেহেতু ঘটনাটি জুম্মার নামাজের সময় ঘটেছে, তাই নামাজের পর পরই আমি ঘটনা স্থলে যাই এবং রিয়াজুল ইসলামকে মৃত দেখতে পাই। মৃত ব্যক্তির ৩ ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছে।ঠাকুরগাঁওয়ে বজ্রপাতে ১ কৃষকের মৃত্যু!
ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার আখানগর ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝাড়গাঁও(দেবিডাঙ্গা) গ্রামের রিয়াজুল ইসলাম(৪১) নামে এক কৃষকের বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার(২০মে) রিয়াজুল ইসলাম এবং তার বড় ছেলে বিপুল ইসলাম (১৮) মিলে বোরো ধান কাটতে মাঠে যায়। দুপুর ১ টার দিকে প্রচন্ড ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রপাত শুরু হলে ধানের বোঝা নিয়ে বাড়ির দিকে রওনা হয় কিন্তু কিছুদুর আসতে না আসতে বিকট শব্দে বজ্রপাত রিয়াজুল ইসলামের উপর পড়লে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। তার বড় ছেলে জানান, আমি এবং বাবা ধানের বোঝা নিয়ে আসতেছিলাম। হঠাৎ মেঘের বিকট শব্দে পিছনে তাকিয়ে দেখি বাবা আইলের পাশে পড়ে আছে। তৎক্ষনাৎ বাবাকে দেখি তিনি অচেতন। মৃতের চাচা,আব্দুস সাত্তার (প্রধান শিক্ষক) জানান, ঘটনার পর পর ছুটে গেছি। দেখি তিনি মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন। এদিকে উক্ত ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউ.পি সদস্য জনাব হুমায়ূন কবির বিপ্লব জানান, যেহেতু ঘটনাটি জুম্মার নামাজের সময় ঘটেছে, তাই নামাজের পর পরই আমি ঘটনা স্থলে যাই এবং রিয়াজুল ইসলামকে মৃত দেখতে পাই। মৃত ব্যক্তির ৩ ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।