1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
ঠাকুরগাঁওয়ে বালিয়াডাঙ্গীতে ৭৫০ টাকার পটাশ সার কিনতে হচ্ছে ১৮০০ টাকায় - Barta24TV.com
সকাল ৭:৩৪, বৃহস্পতিবার, ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে বালিয়াডাঙ্গীতে ৭৫০ টাকার পটাশ সার কিনতে হচ্ছে ১৮০০ টাকায়

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, আগস্ট ১৪, ২০২২
  • 143 Time View

মোঃ সাইফুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ; ভরা আমন ধান মৌসুমী চরম সার সংকটে পড়েছে উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁও কৃষক চাষিরা । ডিলারদের গুদামে নেই সার । বিক্রি হচ্ছে অতি গোপনে । বস্তাপ্রতি ৮০০থেকে ৯৫০ পর্যন্ত অতিরিক্ত দামে (মূল্য রশিদ ছাড়াই) কিনতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষক চাষিরা । বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা সদর সহ ইউনিয়নে বিসিআইসি ৮ ও বিএডিসির ২৫ লাইসেন্স প্রাপ্ত মোট ৩৩ জন ডিলার রয়েছে । এদের অধিকাংশ ডিলারের নেই কোন নিজস্ব অথবা ভাড়ায় চলতি গুদাম বা দোকান । কিছু সংখ্যক অসাধু সুবিধাবাদী বিসিআইসি ও বিএডিসি ডিলার তাদের লাইসেন্স বার্ষিক চুক্তিতে সাধারণ সার ও বীজ ব্যবসায়ীর নিকট দিয়ে রেখেছেন যুগের পর যুগ । বর্তমান সারের দাম নিয়ন্ত্রণ আর এ সবের কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছে না স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও প্রশাসন কর্মকর্তাগণ । বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ধনতলা ইউনিয়নের ঠুমনিয়া গ্রামের কৃষক বাবুল হোসেন, শাহজাহান, চারোল ইউনিয়নের ছোটসিংগিয়া গ্রামের কৃষক খাদেমুল ইসলাম, পাড়িয়া ইউনিয়নের তিলগড়া গ্রামের তৌহিরুল ইসলাম জানান, সারের কৃত্রিম সংকট আর মূল্যবৃদ্ধির ব্যাপারে সবএয় সারের কৃত্রিম সংকট । অস্থিতিশীল বাজার ব্যবস্থা । বিসিআইসি ও বিএডিসির লাইসেন্সধারী সার ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে সারের দাম ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে । ফলে ভরা আমন ধান মৌসুমে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়ছে । ৭৫০ টাকার( পটাশ সার) কিনতে হচ্ছে ১৮০০ টাকায় , বস্তাপ্রতি ৮শ থেকে ৯শ ৫০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দামে যার ফলে আমাদের মতো হাজারো প্রান্তিক চাষিরা সার কিনতে হিমশিম খাচ্ছে । একেতো জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি । যাকে বলে মড়ার উপর খাঁড়ার দা । বিএডিসি সার অধিদপ্তরের ঠাকুরগাঁও জেলা উপ–সহকারী পরিচালক আ, আহাদ জানান, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ৩৩ ডিলারের গত ১০ দিনের মোট সার বরাদ্দ টিএসপি –১৫৮, এমওপি–২৯৪ ও ডিএপি–১০৪ মেট্রিক টন । সে তুলনায় সার সংকট হবার কথা নয় । এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবোধ চন্দ্র রায় জানান, যে সকল অসাধু সুবিধাবাদী সার ব্যবসায়ী সারের কৃত্রিম সংকট আর মূল্যবৃদ্ধি করে বেশি দামে সার বিক্রি করছেন , ইতিমধ্যে কয়েকজন ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অর্থ জরিমানা সহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সতর্ক করা হয়েছে ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।