1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে যোগ্যতার মাপকাঠিতে এড. রহমত উল্যাহ বিপ্লব এগিয়ে - Barta24TV.com
সকাল ৮:৩৮, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে যোগ্যতার মাপকাঠিতে এড. রহমত উল্যাহ বিপ্লব এগিয়ে

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, মে ৩১, ২০২২
  • 231 Time View

ফয়সাল হোসেন, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

এডভোকেট রহমত উল্যাহ বিপ্লব লক্ষ্মীপু‌রের আওয়ামীলীগ ঘরনার রাজনীতিতে বহুল আলোচিত এবং সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্য জনপ্রিয় একটি নাম। নি‌জের যোগ্যতা বলে পানপাড়া ডি.এম উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহয়ক, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য এবং বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন দক্ষতার সঙ্গে। লক্ষ্মীপুর আওয়ামীলীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের মধ্যে সর্বাধিক জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতাদের তালিকায় রয়েছেন এড. রহমত উল্যা বিপ্লব।

বর্তমানে চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে তাকে নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গণে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা রয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীরা যোগ্যতার মাপকাঠিতে পরিচ্ছন্ন রাজনী‌তির ম‌ডেল এড. রহমত উল্যাহ বিপ্লবকে চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পেতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

এডভোকেট রহমত উল্যাহ বিপ্লব ১৯৭৯ইং সনের ২রা ফেব্রুয়ারী লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের রাজবাড়ীর এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম ছিদ্দিক উল্যাহ মাস্টার এবং মাতা মরহুমা রহিমা বেগম।

রহমত উল্যাহ বিপ্লব লক্ষ্মীপুর জেলা সদরের আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে স্টার মার্কসসহ এস.এস.সি, লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে এইচ এস সি ও স্নাতক পাস করেন। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কুমিল্লা বোর্ডের বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্র ছিলেন বিপ্লব ।

জাতীয় বিশ্বিবদ্যালয়ের অধ‌ী‌নে এমএসএস ডিগ্রী লাভ করার পর ঢাকা আইডিয়াল ‘ল’ কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রী অর্জন করেন। মাধ্যমিকের ছাত্র থাকা অবস্থায় পানপাড়া ডিএম উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতি শুরু করেন। পরবর্তীতে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক, লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন।

ছাত্রলীগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি কর্মীবান্ধব নেতা হিসাবে সকলের নিকট গ্রহণযোগ্যতা লাভ করেন।

ছাত্রলীগের রাজনীতি শেষে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ দলীয় ঐক্যজোট চন্দ্রগঞ্জ থানা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়াও এড. রহমত উল্যা বিপ্লব শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ, লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সভাপতি ছিলেন।

ঢাকা আইডিয়াল ‘ল’ কলেজে পড়াকালীন আওয়ামী আইন ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সদস্য পদে দায়িত্ব নিয়োজিত রয়েছেন। ২০০৪ সালে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়ে আওয়ামী রাজনীতির দুঃসময়ে রাজপথের কর্মী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।

নেতাকর্মীদের মতে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীদের মধ্যে কারো কারো শিক্ষাগত ও রাজনৈতিক যোগ্যতায় ঘাটতি থাকলেও এড. রহমত উল্যাহ বিপ্লব এমএসএস পাশ এবং লক্ষ্মীপুর জেলা জজ আদালতের একজন আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আলোচিত প্রার্থীদের মধ্যে এড. রহমত উল্যা বিপ্লব সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার অধিকারী।

সে নিরিখে তিনি উচ্চ শিক্ষিত এবং তার শিক্ষাগত যোগ্যতায় কোন ঘাটতি নেই। রাজনীতিতে তৃণমূলের বেড়ে উঠা মাঠে যোগ্যতাসম্পন্ন একজন রাজনৈতিক নেতা বলে জানা গেছে। ওকালতি পাশ করার পর শিক্ষানবীস আইনজীবী হিসেবে ঢাকা জজ কোর্টে ছিলেন।

পরবর্তীতে ২০০৭ সালে লক্ষ্মীপুর জজ কোর্টে যোগদান করেন। সল্প সময়ে ফৌজদারী ওকালতিতে ব্যপক সুনাম অর্জনে সক্ষম হয়। দলীয় নেতাকর্মীদের স্পর্শকাতর মামলা পরিচালনা করায় কোট-কাচারীতে নেতা কর্মীদের আস্থার ঠিকানা হয়ে উঠেন এড: বিপ্লব ।

রাজনীতি এবং আইন পেশার পাশাপাশি এড. রহমত উল্যা বিপ্লব ২০১৯ সালের নির্বাচেন বিপুল ভোটে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে উপজেলার সামগ্রীক উন্নয়নে ব্যপক অবদান রেখে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এসোসিয়েশনের আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন।

তিনি গন্ধব্যপুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি, জামিরতলী ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার সভাপতি, লক্ষ্মীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী সদস্য ও সহ-সম্পাদক, লক্ষ্মীপুর জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের আজীবন সদস্য, পালপাড়া ডিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎসাহী সদস্য, বাগবাড়ী ক্লাবের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালনসহ বহু সামাজিক, ও সেচ্ছাসেবী, সাংস্কৃতিক ও জনহিতকর প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে। করোনাকালীন সময়ে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসনের সাথে মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। জেলা বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিবন্ধী ও নিরীহ মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।
রাজনীতি, আইন পেশা, শিক্ষা-সংস্কৃতির পাশাপাশি এড. রহমত উল্যাহ বিপ্লব প্রত্যক্ষভাবে সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবত লক্ষ্মীপুর জেলা সদর থেকে প্রকাশিত দৈনিক ভোরের মালঞ্চ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক হিসেবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তখন থে‌কে জেলায় কর্মরত সাংবাদিক-সাহিত্যিক ও সুশীল সমাজের সাথে সু-সম্পর্ক গড়ে উঠে।
বহু গুণের অ‌ধিকারী লক্ষ্মীপুরের রাজনৈতিক, আইন অঙ্গণ, শিক্ষাঙ্গন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পরিচিত এবং কর্মীবান্ধব জনপ্রিয় মুখ এডভোকেট রহমত উল্যাহ বিপ্লবের অতীত কর্মকান্ড বিবেচনায় মাদক, সিন্ডিকেট ও গ্রুপিংমুক্ত রাজ‌রৈ‌তিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় আসন্ন সন্ম‌েলনে চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হিসাবে তার নাম এখন নেতা-কর্মী‌দের মূ‌খে মূ‌খে । মাঠ পর্যায়ে তার অবস্থান চো‌খে পড়ার ম‌তো ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।