1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
ক্লিন রিভার বাংলাদেশ জামালপুর ডিষ্ট্রিক কাউন্সিল/২০২২ অনুষ্ঠিত- Barta24TV.com
সকাল ৭:৪৭, বৃহস্পতিবার, ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ক্লিন রিভার বাংলাদেশ জামালপুর ডিষ্ট্রিক কাউন্সিল/২০২২ অনুষ্ঠিত-

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, আগস্ট ১, ২০২২
  • 183 Time View

ডা. আজাদ খান,

জামালপুর জেলা প্রতিনিধি,
তাং ৩১ জুলাই ২০২২

দূষনমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদ-নদীর দখল, দূষণ রক্ষায় এগিয়ে যাবে ক্লিন রিভার বাংলাদেশ জামালপুর জেলা।

অদ্য রবিবার (৩১জুলাই) সকাল ১১টা হতে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বংশি নদীর পাড়ে জামালপুর সদর উপজেলার রঘুনাথপুর দিঘুলী (পশ্চিমপাড়া) অর্থনৈতিক অঞ্চলে ক্লিন রিভার বাংলাদেশ জামালপুর ডিষ্ট্রিক কাউন্সিল-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কাউন্সিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্লিন রিভার বাংলাদেশের নির্বাহী প্রধান সোহাগ মহাজন।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন, ১৪নং দিগপাইত ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ মিজানুর রহমান এম.এ।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ক্লিন রিভার বাংলাদেশ জামালপুর ডিষ্ট্রিক ক্যাপ্টেন মোঃ খোরশেদ আলম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্লিন রিভার বাংলাদেশ ঢাকা বিভাগীয় ক্যাপ্টেন মিলি রহমান, ময়নসিংহ বিভাগীয় ক্যাপ্টেন জুলেখা আকন্দ ঝুমা
এবং বাংলাদেশ প্রেসক্লাব জামালপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক সৈয়দ মুনিরুল হক নোবেল।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ক্লিন রিভার বাংলাদেশ নেত্রকোনা ডিষ্ট্রিক ক্যাপ্টেন উজ্জ্বল মিয়া ও শেরপুর ডিষ্ট্রিক ক্যাপ্টেন সাদি মোহাম্মদ এবং
ক্লিন রিভার বাংলাদেশ জামালপুর ডিস্ট্রিক্ট কো-ক্যাপ্টেন (১), ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম আজাদ খান, কো- ক্যাপ্টেন, মাসুদ রানা, মমিন তালুকদার, তামান্না আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল মারুফ, কাজল, সাইদুর রহমান সাঈদ, ক্লিন রিভার বাংলাদেশ জামালপুর ডিস্ট্রিক্ট মেম্বার বিলাত আলী, কামরুল হাসান, আজিজুর রহমান, রোজিনা।

অনুষ্ঠানে শপথ গ্রহনের মাধ্যমে জামালপুর জেলায় কাউন্সিল ২০২২ এর কার্যক্রম শুরু হয়।

এর আগে সকাল ১১টা হতে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সময়ে উক্ত মেডিকেল ক্যাম্পে প্রায় দুই শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিতে
উপস্থিত ছিলেন, ঢাকার মহাখালীস্থ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী সার্জন ডাঃ সানজিদা হুসাইন প্রাপ্তি এবং বাংলাদেশ প্রেসক্লাব মেলান্দহ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক ও
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেডিকেল অফিসার ডাঃ জয়নাল আবেদীন আকন্দ।

সেবাদানকারী হিসেবে আরো উপস্হিত ছিলেন- উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট মোঃ রেজাউল করিম হীরা, মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট মোঃ আরিফুজ্জামান, মোঃ আজহারুল ইসলাম, মোঃ বিপ্লব হোসেন, রাজু আহমেদ ও মেডিএইড জেনারেল হাসপাতাল লিমিটেড জামালপুরের ম্যানেজার মোঃ খোরশেদ আলম বকুল।

উপস্হিত ছিলেন –
১৪ নং দিগপাইত ইউনিয়ন প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন বাদশা,
ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম উজ্জ্বল, আলতাফ হোসেন, রাহাত আলী, সেলিম, মহিলা মেম্বার মরিয়ম প্রমূখ।

পরে প্রধান অতিথি সকলকে ক্লিন রিভার বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে নদীদূষণ রোধে কাজ করার উদাত্ত আহবান জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।