1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশের ভাবমুর্তি উজ্জ্বল করে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন, “ওসি” “শেখ মুনীর উল গিয়াস” - Barta24TV.com
সকাল ১০:২০, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশের ভাবমুর্তি উজ্জ্বল করে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন, “ওসি” “শেখ মুনীর উল গিয়াস”

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২২
  • 141 Time View

তৈয়ব উল্লাহ সিকদার বাবু, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি

কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মুনীর উল গিয়াস ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সেলিম উদ্দীন তাদের দুই চৌকস পুলিশের সততা, আদর্শ মেধা, বিচক্ষনতা, কর্মদক্ষতা ও মানবিকতার মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষের মন জয় করে পুলিশের ভাবমুর্তি উজ্জ্বল করে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
বিগত ২০২০ সালে ৩১ জুলাই দেশের আলোচিত অবসরপ্রাপ্ত মেজার সিনহা হত্যা কান্ড পর থেকে এসপি থেকে শুরু করে পুরো পুলিশ প্রশাসনের রদবদল হয়।এর পর নয়া অফিসার ইনচার্জ (ওসি)শেখ মুনীর উল গিয়াস ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সেলিম উদ্দীন কক্সবাজার সদর মডেল থানায় দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আইন শৃঙ্খলার পরিবর্তন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফলতা এসেছে। যাদের কর্মদক্ষতায় কক্সবাজার সদর মডেল থানার দুই চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
ইতিমধ্যেই তাদের কর্ম সাফল্য আমলে :
জিআর ওয়ারেন্ট হয়েছে ১০১২ জন,জিআর সাজা ওয়ারেন্ট ৫৫ জন,সিআর সাজা ৫৫৫ জন,সিআর সাজা ওয়ারেন্ট ৮০ জন,অস্ত্রধারী আটক ১১৩ জন,চোর ছিনতাইকারী আটক ৪৮০ জন,কিশোর অপরাধী আটক ১১৫ জন, কিশোর অপরাধী আটক পরিবারের জিম্মায় প্রদান করে ১২৫ জন,ধর্ষক গ্রেফতার ৮৮ জন,অপহরণের স্বীকার ভিকটিম উদ্ধার ৯৫ জন,জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে ৭২০৫ টি,নারী ও শিশু হেল্পডেস্ক সেবা ১৫৫০ জন।
এছাড়া ও থানা পুলিশের মামলা হয় ৮২ টি যার মধ্যে এজাহার নামীয় আসামি ১৬২ তার মধ্যে ১১৭ জন কে গ্রেফতার করে।
তা ছাড়াও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয় ৩,১৮,০৩২ পিস ইয়াবা,৩১০ (গ্রাম) ইয়াবা ট্যাবলেটের গুড়া,১২২০লিটার দেশিয় মদ,৩ কেজি ৭৫০ গ্রাম গাঁজা ও ২৫ বোতল ফেনসিডিল এবং ১ টি গাঁজা গাছ উদ্ধার করা হয়।
কক্সবাজার পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে আমুল পরিবর্তন ঘটেছে।শেখ মুনীর উল গিয়াস ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সেলিম উদ্দীন সদর মডেল থানায় যোগদানের পর থেকেই সাধারন মানুষের আইনের প্রতিও শ্রদ্ধা ফিরে এসেছে। তাদের দক্ষতা, মেধা, বিচক্ষনতা এবং অক্লান্ত পরিশ্রমে মাদক নিয়ন্ত্রনে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি সাধন হওয়ায় ব্যপক সুনাম কুড়িয়েছে। মানুষের মুখে মুখে শোনা যায় তাদের প্রসংশার কথা।
শেখ মুনীর উল গিয়াসের নানা জনকল্যানমূখী কর্মকান্ডের মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। প্রতিটি গ্রামে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখা, জিডি ও মামলা করতে কোন অর্থ লাগে না বলে জানান ভুক্ত ভুগিরা। এতে বেশ সুনাম, সুখ্যাতি অর্জন করেছেন উপজেলাবাসীর কাছ থেকে।
এ দুই চৌকস পুলিশ অফিসার দেশের করোনা এবং কোভিড-১৯ নামে এক ঘাতকের আঘাতে পৃথিবী যখন অচেনা,পূর্ব থেকে পশ্চিম কিংবা উত্তর থেকে দক্ষিণ পুরো গ্রহ টাই যেন লন্ড ভন্ড।তখন পুলিশ প্রশাসনের প্রতিনিয়ত সচেতনতা মূলক কার্যক্রম ও নানা প্রশাসনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছেন,সদর উপজেলা বাসীর কাছে তাদের অবদান ভুলার মতো নই।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, তারা সাধারন মানুষকে সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করা, বিট পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনা করা, চুরি, ডাকাতি, নারী-শিশু নির্যাতন, জুলুমবাজ, মাদক ব্যবসায়ী সন্ত্রাসী, দখলবাজ, প্রতিবন্ধী ও বৃদ্ধদের সেবা নিশ্চিতকরণ প্রভাবশালী অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে আপোষহীন থাকা মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি সহ বিভিন্ন অপরাধমুলক কর্মকান্ড বন্ধ, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কার্যক্রমে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী কাজের মাধ্যমে একের পর এক পারদর্শী দিখিয়ে প্রশংসিত হয়ে উঠেছেন সদরের সর্বোস্তরের মানুষের কাছে।
সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, কনস্টেবল থেকে শুরু করে এসআই পর্যন্ত এবং সুযোগ্য পুলিশ সুপার মহোদয়ের সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করে যাচ্ছে আমাদেরকে,মানুষের সেবা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে যতদিন কর্মরত আছি, ততদিন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে নিরলস ভাবে আমাদের দায়িত্ব পালন করবো। যাতে করে মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে ও স্বস্থিতে থাকতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।