1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
ইসলামকাটি যুব সংঘের আয়োজনে অনুর্ধ্ব-১৭ নারী ফুটবল টুনামেন্টের ফইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। - Barta24TV.com
সকাল ৬:৪৯, বৃহস্পতিবার, ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইসলামকাটি যুব সংঘের আয়োজনে অনুর্ধ্ব-১৭ নারী ফুটবল টুনামেন্টের ফইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২২
  • 250 Time View

সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি

১৬ই সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকালে চার টায় ঐতিহ্যবাহী ইসলামকাটি ফুটবল মাঠে ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয় ফাইনাল খেলায় যে দুটি দল অংশ গ্রহণ করে তার এক দিকে ছিলো সাতক্ষীরা জেলা নারী ফুটবল একাডেমি এবং অন্য দিকে ছিলো কুষ্টিয়া জেলা প্রমিলা নারী ফুটবল একাডেমি।

উক্ত খেলায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি : ঘোষ সনৎ কুমার, চেয়ারম্যান,উপজেলা পরিষদ ও সাধারণ সম্পাদক, আওয়ামীলীগ, তালা উপজেলা শাখা।
বিশেষ অতিথি : প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, তালা, সাতক্ষীরা।
বিশেষ অতিথি : সরদার মশিয়ার রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, তালা, সাতক্ষীরা।
বিশেষ অতিথি : মুর্শিদা পারভীন পাপড়ী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, তালা, সাতক্ষীরা।
বিশেষ অতিথি : মীর জাকির হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আওয়ামীলীগ, তালা, সাতক্ষীরা।
বিশেষ অতিথি : আবু জিহাদ ফখরুল আলম খান, অফিসার ইনচার্জ, তালা থানা, সাতক্ষীরা।
বিশেষ অতিথি : সুভাষ চন্দ্র সেন, সভাপতি, আওয়ামীলীগ ইসলামকাটি ইউনিয়ন শাখা।
সভাপতি : সরদার খায়রুল আলম, সভাপতি, ইসলামকাটি যুব সংঘ তালা,সাতক্ষীরা।

অনুর্ধ্ব-১৭ নারী ফুটবল ফইনাল খেলা ৯০ মিনিটের জন্য অনুষ্ঠিত হয়,কুষ্টিয়া জেলা প্রমিলা নারী ফুটবল একাডেমি পর পর ৪ টি গোল দেয় এবং সাতক্ষীরা জেলা নারী ফুটবল একাডেমি (০)কোনো গোল দিতে পারেনাই সাতক্ষীরা জেলা নারী ফুটবল একাডেমি মরিয়া হয়ে চেষ্টা করলেও তারা কোন গোল দিতে পারে নাই। ফাইনাল খেলা শেষে সর্বোচ্চ গোলদাতা, শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়, রানারআপ ও চ্যাম্পিয়ান দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন, ঘোষ সনৎ কুমার, চেয়ারম্যান,উপজেলা পরিষদ ও সাধারণ সম্পাদক, আওয়ামীলীগ, তালা উপজেলা শাখা এবং বিশেষ অতিথি : সরদার মশিয়ার রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, তালা, সাতক্ষীরা।

খেলাটি সর্বাধুনিক তালা উপজেলা প্রশাসন নিরাপত্তা দিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।