1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
আলিপুরদুয়ার স্টেশনে ৬ রোহিঙ্গা গ্রেফতার - Barta24TV.com
সকাল ৭:৩৭, বৃহস্পতিবার, ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আলিপুরদুয়ার স্টেশনে ৬ রোহিঙ্গা গ্রেফতার

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, জানুয়ারি ১৫, ২০২৩
  • 266 Time View

কলকাতা থেকে,দেবাশীষ রায়ঃ

এই স্টেশন্ এক সময় লালমনিরহাটের সঙ্গে রেলপথে যুক্ত ছিল, সেখানেই সন্দেহজনক ভাবে বসে থাকা অবস্থায় রেল পুলিশের হাতে আটক হয় বাংলাদেশ থেকে আসা ছয় জন রোহিঙ্গা । এদের মধ্যে চার জন যুবতী ও দুই জন পুরুষ । প্রথমে জানা যায় তারা বাংলাদেশের কক্সবাজারের অধিবাসী । তবে তাদের কাছে ইন্ডিয়ার আধার কার্ড বা পরিচয়পত্র ও পাওয়া যায় । পরে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যায়, তারা রোহিঙ্গা । .. এতে এখানকার মানুষের মনে হয়েছে রোহিঙ্গারা হয়ত আলিপুরদুয়ার শহরকে নিরাপদ যাতায়াতের পথ বলে মনে করছে । কারণ, আলিপুদুয়ারের এক পাশে রয়েছে আসাম আর অন্যদিকে ভুটান, যেখানে সাধারণ ভাবে পাসপোর্ট বা অনুমতি না নিয়েই চোরা পথে যাওয়ার ঘটনা অতীতে ঘটেছে অনেক । বন জঙ্গল ও জনবিরল এলাকা অনেক বেশী । তাই সেখানে গড়ে উঠেছিল জঙ্গী গোষ্ঠী গুলোর ট্রেনিং সেন্টার, মায়নামারেরই মতো ।হয়ত এমনি অসতর্কতাকে কাজে লাগানোর ছক কষেই এসেছিল রোহিঙ্গারা । জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কক্সবাজার থেকে ওই ছয় রোহিঙ্গা কোনভাবে আগরতলাতে পৌঁছায় , সেখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস ট্রেন ধরে নামে আলিপুরদুয়ারের কাছে কোন স্টেশনে । সেখান থেকে শিয়ালদহ ও হাওড়া হয়ে কাশ্মীরে যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল । কোন কারণে শিয়ালদহের টিকিট থাকা সত্বেও তারা নেমে যায় আলিপুরদুয়ারে গভীর রাত্রে ।
প্ল্যাটফর্মে অসংলগ্ন ভাবে তাদেরকে চলাফেরা করতে দেখে কর্তব্যরত রেল বাহিনীর সন্দেহ হয়, তারা সেই ছয় জন কে তুলে দেয় রেল পুলিশের হাতে । দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের রোহিঙ্গা পরিচয় সামনে আসে, এবার পাওয়া যায় তাদের জাল আধার পরিচয় পত্র ও । পুলিসি তদন্তে উঠে এসেছে, ভুটানের নিকটবর্তী এক দালালের সুত্রে তারা ওই পরিচয়পত্র গুলো পায় । মনে করা হচ্ছে, শিয়ালদহের বদলে আলিপুরদুয়ারে নামার পর হয়ত তাদের ওই দালালের মাধ্যমে ভুটানে যাবার পরিকল্পনা ছিল । সেখান থেকে হয়ত কাশ্মীরে যাওয়া সহজ বলে তাদের বোঝানো হয়েছিল ।
এদিকে বাংলাদেশের সংবাদ সংস্থার মাধ্যমে প্রাপ্ত সংবাদে জানা গিয়েছে যে সেদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী দের সংখ্যা বাড়তে বাড়তে সাড়ে বারো লক্ষে পৌঁছে গিয়েছে । ক্রমশ শরণার্থী সমস্যার সমাধানে বিদেশী সাহায্যের পরিমাণ অনেক কমে গিয়েছে । এতো ক্ষুদ্র দেশের পক্ষে এই বিরাট পরিমাণ শরণার্থী দের খাদ্য ও বাসস্থান প্রদান করা ক্রমশই অসম্ভব হয়ে উঠেছে । এই মুহূর্তে বিশ্বের সর্ব বৃহৎ শরণার্থী শিবির চট্টগ্রামের কুতুপালং । সেখানে দুদিন আগেই গুলি চলেছে, মারা গিয়েছে একজন, আহত হয়েছে আরো কয়েকজন । এই শরণার্থী রা জান বাজী রেখেও যে কোন জনারণ্যে মিশে যাবার জন্য উন্মুখ । তারই হয়ত একটা অংশ এই ছয়জন অনুপ্রবেশকারী ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।